Prose poem /
১০২.১ / ডিয়ার কমরেড
ডিয়ার কমরেড,
নিরুত্তাপ ও নিরুত্তর থাকি বিড়ালপাখির এজলাসে। না চিনি চিড়িয়া, না বুঝি সিরিয়া — খালি পাপ জমাই। দেখি, মই বেয়ে উঠে যায় সাপ, সিনহা ও আইফ্লিক্স। ব্যালট বাক্স থেকে বাইর হইতে চায় আলাদিনের দৈত্য। নয়ন ভরা উন্নয়ন তার। বাকিটা আগাম ইতিহাস।
লুকাবো না, কমরেড। আপনার আর্গুমেন্ট আজ ফ্যালাসি এ.এফ। জ্ঞান আপনার কাছে জাহিরি পণ্য। ছাগলের ল্যাদার মতো থোক-থোক পপ ফেমিনিজম। সুলতান-কিয়ারোস্তামি কপচান পাবলিক বৈঠকে আর সমকালীন কূটনীতি বোঝেন ঘোড়া। আপনি রোল প্লেয়ার মাত্র। বাজারের ফেরে কেউ যেমন জিজেক অনুবাদক, কেউ ছফা প্রচারক। কেউ ইউটিউব বিশ্লেষক, কেউ নিকোলাস রে’র রিভিউ পাঠক। যে-যার-বোধে বিপন্ন।
না — বোধটোধ ভুয়া; এলিটিপনা। বাঁইচা থাকলে কিছু না কিছু বানাইতে হয়, তাই সিনেমা বানানি। নিত্য কিছু জ্ঞান ঝাড়তে হয়, তাই উইকি বুলানি।
বেশি সময় নিবো না। সিনেমা বানায়া আপনি দেখায়া দিতে চান এক হাত। চাওয়ার হাত লম্বা হইলে নাম লেখান শর্টহ্যান্ড পরীক্ষায়। সিলেবাসে কমন পড়ে অ্যাজেন্ডার ফান্ডা, কলোনির কুড়কুড়ানি — কেন আগে বলিনি? বললেই কী — এক পা তো হান্দানো অস্কার-গর্তে আর উৎসব বাজারে।
হান্দাক। ইশকে বিনা ক্যায়া জিনা।
কমরেড, আমি বাচ্চা আলেম। আলামত টের পাই ভূমিকম্পের আগেই। যেহেতু সব রিপিট শো; পৌরাণিক। এই সব লিখা আছে ঋগ্বেদে। উল্টানো মহাভারতে। তাই চোখ রাখি গাইতোন্ডের গেমসে। রাধিকা আপ্তের র এক্সপ্রেশন দেখি। মৃণাল সেনের ইন্টারভিউ। নব নব তরঙ্গের হ্যাংওভারে বেসামাল আজ মগজের কিচেন।
এইটা পালানো-লিপির সেকেন্ড সিজন। বেদপাঠের — বা ত্রিপিটক-কোরান-বাইবেল-ইঞ্জিলের — বাইপ্রডাক্টও হইতে পারে। পাশ্চাত্য-প্রাচ্যের সমন্বয়ে সম্পাদিত এক ইউনিসেক্স+সৃজনশীল গাইড বই আমার হাতে।
কে পড়ে এতসব!