Field note /
দৈর্ঘ্য
ছোট দৈর্ঘ্যের বাজার খারাপ। ছোট দৈর্ঘ্যে যদি কিছু প্রকাশ করেন, (ছোট) লোকে বাহবা দিয়া বলবে, ওয়েল ডান, তো বড়তে হাত দিবা কবে? মানে, লোকে আপনারে বড় বানায়াই ছাড়বে।
আর এজেন্ডার গন্ধ না পাইলে, কারখানার কোনো ছাঁচে ফেলতে না পারলে দৈর্ঘ্যের স্বল্পতারে কে-ই বা প্যাট্রনাইজ করতে চায়?
সিনেমার নির্মাতারাও তাই পরিচয় সঙ্কট উদ্ধার করতে দলে দলে হাত বাড়ায় পূর্ণদৈর্ঘ্যে। তারা লিখে, বানায়, দেখায়, বেচে পূর্ণদীঘল সিনেমা। অধমের চিন্তা, দিঘায় কত বড় হইলে একটা সিনেমা তার পূর্ণতা পায়?
গুরু বলে, বাজার চিনতে শিখ। পূর্ণতার সংজ্ঞা/সূচক উঠানামা করে বাজারি কলকাঠিতে। আস্ক দেম — ইউর রক্তাক্ত পরিবেশক। সিনেমা পরিবেশনেও যে থাকে টিভির মতো টাইম স্লটের কারবার।
দৈর্ঘ্য বেশি পূর্ণ হইলে প্রযোজকের ভয়। মাল্টিপ্লেক্স/নেটফ্লিক্স/পাবলিক নিবে তো? লোকে বলবে, আসছে আরেক লাভ দিয়াজ। আর কমলে বলবে, ইউটিউবার নাকি? হাত পাকাইতেছো? ভাইরাল? বিজ্ঞাপন?
তাই জামা বানাও দেড় কি দুই কি আড়াই ঘণ্টার মাপে। (হ/ব/ন/টা/ঢা)লিউডি আছর কী আর এমনি এমনি কাটে?
বাহে, দৈর্ঘ্যের পূর্ণতা নিয়া আপনার পর্যবেক্ষণ কেমন?